• হোম > বাংলাদেশ > মধ্যরাতে শাবি শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ, উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি

মধ্যরাতে শাবি শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ, উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি

  • সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২, ১১:০১
  • ৪৯৩

 মধ্যরাতে শাবি শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ, উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ ও হামলার প্রতিবাদে রোববার মধ্যরাতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করে প্রতিবাদ করেছেন। একই সঙ্গে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করেছেন এবং ক্যাম্পাস বন্ধ প্রত্যাহার করেছেন তারা।

রোববার রাত সাড়ে ১২টার দিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে দাঁড়িয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন। সমাবেশে তারা উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবি করেন এবং অনিদিষ্ট কালের জন্য ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণার এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে ক্যাম্পাস না ছাড়ার ঘোষণা দেন।

এদিকে এর আগে ক্যাম্পাসে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার পর সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে অবস্থান নেন। পরে রাত ১১টার দিকে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করতে করতে ক্যাম্পাসের ভেতর প্রবেশ করে বেগম সিরাজুন্নেছা চৌধুরী ছাত্রী হলের সামনে যায়। সেখানে কিছু সময় বিক্ষোভ করে প্রথম ছাত্রী হল এবং শাহপরান হল ঘুরে মুক্তমঞ্চের সামনে হ্যান্ডবল গ্রাউন্ডে একত্রিত হয়। সেখানে প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত থেকে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করেন এবং সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন।

চারদিন ধরে চলমান হল প্রভোস্ট কমিটির পদত্যাগের দাবিসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া আইআইসিটি ভবনে অবরুদ্ধ করে। এরপর শিক্ষার্থীরা সেখানে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন। বিকেল চারটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে। পরে সাড়ে পাঁচটার দিকে পুলিশ শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ শুরু করে। তখন শিক্ষার্থীরা সেখান থেকে একটু পেছনে এগিয়ে ইট পাটকেল ছুড়তে থাকেন। এসময় পুলিশের লাঠিচার্জে ৩০-৩৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

এদিকে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে ২৫-৩০টি সাউন্ড গেনেড এবং প্রায় ৩০ রাউন্ড ফাঁকা গুলির শব্দ শোনা যায়। এসময় পুলিশের গুলিতে একজন নারী পুলিশ সদস্যসহ প্রায় ১০ জন পুলিশ আহত হয়েছেন বলে জানা যায়। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম এবং ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক জহীর উদ্দীন আহমদসহ ৫-৭ জন শিক্ষক কর্মকর্তা আহত হন বলে জানা গেছে।

এদিকে রোববার রাত পৌনে নয়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম সমকালকে বলেন, জরুরি সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল এবং ক্যাম্পাস ছাড়ার কথা বলেন তিনি।

সূত্র: সমকাল


This page has been printed from Daily Jubokantho - https://www.jubokantho.com/116562 ,   Print Date & Time: Saturday, 30 August 2025, 05:55:37 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2025 SAASCO Group