• হোম > আইন-অপরাধ > ওসির ৮তলা বাড়ি ও সম্পদের অনুসন্ধান চেয়ে রিট

ওসির ৮তলা বাড়ি ও সম্পদের অনুসন্ধান চেয়ে রিট

  • বুধবার, ১০ আগস্ট ২০২২, ১৩:০৩
  • ৪৯৮

 ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলামের ৮তলা বাড়িসহ বিপুল সম্পদ ও মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি দখলের অভিযোগ অনুসন্ধানের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

জনস্বার্থে এ রিটটি করেন তিনি। এ রিটে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

বুধবার (১০ আগস্ট) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটের ওপর শুনানি হতে পারে।

এর আগে গত ৮ আগস্ট ওসি মনিরুল ইসলামের ৮তলা বাড়িসহ বিপুল সম্পদ ও মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি দখলের অভিযোগ হাইকোর্টকে অবগত করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

এ বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চের নজরে আনা হয়। ওই সময় আদালত দুদকের জ্যেষ্ঠ আইনজীবীর দৃষ্টি আকর্ষণ করার পর আইনজীবী খুরশিদ আলম খান বলেন, এ বিষয়ে অবশ্যই অনুসন্ধান হওয়া উচিত।

পরে আদালত তদন্ত চেয়ে ব্যারিস্টার সুমনকে একটি আবেদন হাইকোর্টে দাখিল করতে বলেন।

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, আমার কাছে মনে হয়েছে, বিষয়টি আদালতের নজরে আনা দরকার। দুদকের তদন্তের জন্য এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ মামলা। দেশে অসংখ্য সৎ পুলিশ অফিসার রয়েছেন। কিন্তু এ ওসির মতো যদি সবাই এত সম্পদ বানান তাহলে সৎ অফিসার যারা আছেন, তারা মনে মনে অনেক বেশি কষ্ট পাবেন। এভাবে অসৎ অফিসাররা যদি ট্রেন্ড তৈরি করেন, তাহলে সৎ অফিসার খুঁজে পাওয়া যাবে না। এজন্য বিষয়টি আদালতের নজরে নিয়ে এসেছি। আদালত শুনেছেন। শুনে আদালত বলেছেন, এটা তো ঠিক না।

গত ৪ আগস্ট ‘ঢাকায় ওসির ৮তলা বাড়িসহ বিপুল সম্পদ’ শিরোনামে একটি দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রথমাংশে বলা হয়, ঢাকায় আটতলা বাড়ি করেছেন। বানাচ্ছেন আরেকটি ডুপ্লেক্স বাড়ি। ঢাকার কেরানীগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জে তার রয়েছে চারটি প্লট। বাড়ি, প্লটসহ এই বিপুল সম্পদের মালিক ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম। রাজধানীর মোহাম্মদপুর হাউজিং সোসাইটিতে এক মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি দখলেরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

সরকারি একটি সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদনের সূত্র ধরে ওই দৈনিকের অনুসন্ধানে ওসি মনিরুলের এসব অবৈধ সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে। তবে পুলিশ সূত্র বলছে, যতটুকু তথ্য পাওয়া গেছে, তার সম্পদের পরিমাণ এর চেয়ে অনেক বেশি।

পুলিশের একজন পরিদর্শক হয়ে ওসি মনিরুল কীভাবে এত সম্পদের মালিক হয়েছেন, তা নিয়ে পুলিশ বিভাগে আলোচনা চলছে। বর্তমানে তিনি নবম গ্রেডে ২২ হাজার টাকা স্কেলে সাকল্যে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকা বেতন পান।

জানা যায়, ১৯৯২ সালে উপ-পরিদর্শক (এসআই) পদে পুলিশের চাকরিতে যোগ দেন মনিরুল ইসলাম, যখন এ পদটি তৃতীয় শ্রেণির ছিল। ২০১২ সালে পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ পরিদর্শক হন। প্রায় ৩০ বছরের চাকরিজীবনে বেশির ভাগ সময় ঢাকা রেঞ্জে ছিলেন। তার বাড়ি রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায়।


This page has been printed from Daily Jubokantho - https://www.jubokantho.com/123541 ,   Print Date & Time: Friday, 6 February 2026, 02:13:11 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 SAASCO Group