• হোম > বাংলাদেশ | বিশেষ নিউজ | রংপুর > শীতে গাইবান্ধার সাধারণ মানুষের ভরসা গাউন পট্টি

শীতে গাইবান্ধার সাধারণ মানুষের ভরসা গাউন পট্টি

  • মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০২৩, ১৬:৪১
  • ৪৫০

গাউন পট্টি

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধায় প্রকৃতিতে ঘনকুয়াশা জানান দিচ্ছে শীত আসছে। সকাল আর সন্ধ্যায় শীত অনুভূতও হচ্ছে। যদিও শীতের তীব্রতা এখনও বাড়েনি। কনকনে শীত মোকাবেলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে গাইবান্ধাসহ উত্তরাঞ্চলের মানুষ। শীত সামনে রেখে জমে উঠেছে গাইবান্ধার শীত বস্ত্রের দোকানগুলো। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি।

মাত্র তিন টাকা থেকে ৩ শত টাকার মধ্যে ক্রয় করতে পারবেন সোয়েটার। ভাবছেন শায়েস্তা খাঁ’র আমলের গল্প। না তা নয়। সবার পরিচিত গাইবান্ধা শহরের জিপি মার্কেটে সর্বনি¤œ তিন টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৩ শত টাকার মধ্যে যে কেউ ক্রয় করতে পারবেন পছন্দের সোয়েটার। ব্যবসায়ী মাসুদ মিয়া বলেন, ২২ বছর ধরে তিনি ব্যবসা করেন জিপি মার্কেটে।

সাধারণ মানুষের শীত বস্ত্র বিক্রয়ের মার্কেট মুলত গাউন পট্টি, সংক্ষেপে অনেকে বলেন জিপি মার্কেট। শার্ট, প্যান্ট, জামা-কাপড়সহ গাউন পট্টিতে সারা বছর পুরোনো পোশাক বিক্রয় হে করা হলেও শীত মৌসুমে মানুষের ভীড় জমে ওঠে শীত বস্ত্রের জন্য। শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সব বয়সী নারী-পুরুষের সোয়েটার, জ্যাকেটসহ সকল প্রকার পুরোনো শীত বস্ত্র পাওয়া যায়।

গাইবান্ধা পৌরসভা ভরন সংলগ্ন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের বাসভবন সংলগ্ন মার্কেটটি পুরনো কাপড় ও শীত বস্ত্রের জন্য বিখ্যাত। রাজনীতিক জিয়াউল হক জনি বলেন, এক সময় মুলত নি¤œ আয়ের মানুষ এ মার্কেট থেকে বেছে বেছে কম দামে পছন্দের পোশাক বা শীত বস্ত্র সংগ্রহ করতেন। এখন নি¤œবিত্ত শুধু নয় মধ্যবিত্ত-উচ্চবিত্ত সবাই এখান থেকে পছন্দসই জামা কাপড় বা শীত বস্ত্র সংগ্রহ করেন। নভেম্বর থেকে জানুয়ারী পর্যন্ত তিন মাস ভালো বিক্রয় হয়।

জিপি মার্কেটের ব্যবসায়ী মাসুদ মিয়া বলেন, চট্টগ্রাম থেকে বেল (গাঁইট) পদ্ধতিতে এসব পোশাক সংগ্রহ করেন। গত বছরের চেয়ে এ বছর বেলে দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। কেজি পদ্ধতিতে ওজন করে পোশাক বা শীত বস্ত্র সংগ্রহ করা হয়। এক বেলে জামা-কাপড় বা শীতের পোশাক থাকে ৬০ থেকে ১০০ কেজি পর্যন্ত। সোয়েটার বা জ্যাকেটের আবার আলাদা, আলাদা গাঁট থাকে।

গত বছর জ্যাকেটের গাঁট ছিলো ৮ থেকে ১৮ হাজার এ বছর ১২ থেকে ২৭ হাজার টাকায় ক্রয় করা হয়েছে। গত বছর সোয়েটারের গাঁটের দাম ছিল ৬ থেকে শুরু করে ১৭ হাজার পর্যন্ত। এ বছল দাম উঠেছে ৮ থেকে ২২ হাজার টাকা পর্যন্ত। চট্টগ্রাম থেকে নিয়ে আসার পর ছোট, বড়, ছেড়া, ফাটা সব বাছাই করার পর খুচরা পর্যায়ে জ্যাকেট বিক্রয় করা হয় ৩০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত আর সোয়েটার বিক্রয় করা ৩ টাকা থেকে ৩শত টাকা পর্যন্ত। দেশ স্বাধীনের আগে থেকে এখানে পুরোনো কাপড় বিক্রয় করা হয়।


This page has been printed from Daily Jubokantho - https://www.jubokantho.com/132432 ,   Print Date & Time: Friday, 29 August 2025, 10:41:29 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2025 SAASCO Group